দলবদলের জানালা ফের খুলল, চেলসিতে ওয়েলবেক

ইউরোপীয় ফুটবলের দলবদলের জানালা আবার চালু হয়েছে ১৫ জুন থেকে। এতে প্রিমিয়ার লিগ, সামগ্রিকভাবে ইংলিশ ফুটবল, স্কটিশ প্রিমিয়ারশিপ ও উইমেন্স সুপার লিগের ক্লাবগুলির পাশাপাশি মহাদেশের প্রধান বাজারগুলিতে — জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন ও ইতালিতে — লেনদেনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। শেষ সময় নির্ধারিত ২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যের সময় রাত ১১টা, তারপর জানুয়ারি পর্যন্ত বড় চুক্তির দরজা বন্ধ।
প্রিমিয়ার লিগে নড়াচড়া
১ অগস্টেই নজর কাড়ে দুটি নাম। ফ্রান্সের লঁস ছেড়ে অপ্রকাশিত অঙ্কে ব্রেন্টফোর্ডে যোগ দেন রাইট ব্যাক মামাদু সাঙ্গারে — ফরাসি ফুটবলের প্রতিশ্রুতিশীল তরুণদের নিয়ে লন্ডনের ক্লাবটির বিনিয়োগ-কৌশলেরই আরেকটি ধাপ। আর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও আর্সেনালের সময় থেকেই প্রিমিয়ার লিগের পরিচিত মুখ ড্যানি ওয়েলবেক ব্রাইটন ছেড়ে গেলেন চেলসিতে; এই চুক্তির অঙ্কও গোপন রাখা হয়েছে। ৩৪ বছর বয়সে এই ফরোয়ার্ড এসেছেন নতুন কোচিং কাঠামোর অধীনে পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে যাওয়া চেলসি স্কোয়াডে অভিজ্ঞতা যোগ করতে।
দ্বিতীয় স্তরে তোলপাড়: আলোচনার কেন্দ্রে ধার
ইংলিশ ফুটবল লিগে দিনটি কেটেছে মূলত ধারে খেলোয়াড় নেওয়ার চুক্তিতে — মরসুমের শুরুতে যা স্বাভাবিক, কারণ নিচের সারির ক্লাবগুলি তহবিলে চাপ না ফেলে দল শক্তিশালী করতে চায়। মিলওয়াল কামার্ল গ্রান্টকে পাঠিয়েছে ব্রমলিতে, আর ব্ল্যাকবার্ন রোভার্স একসঙ্গে দুজনকে ছেড়েছে ক্রলি টাউনে: ডিফেন্ডার ওসমান কামারা ও মিডফিল্ডার নিক মিখালস্কি। হাল সিটিও একই পথে হেঁটে নাথান টিন্সডেলকে পাঠিয়েছে সেই ক্রলিতেই, ফলে একই দিনে একাধিক পজিশনে শক্তি বেড়েছে দলটির।
আলাদা করে বলার মতো ঘটনা স্যাম শমোদিচের — ইপসউইচ টাউন ছেড়ে ডার্বি কাউন্টিতে গেছেন নির্দিষ্ট একটি কাঠামোয়: কেনার বাধ্যবাধকতাসহ ধার। এই ধরনের শর্ত ইংলিশ বাজারে এখন সাধারণ, কারণ এতে ক্রেতা ক্লাবের তাৎক্ষণিক আর্থিক ঝুঁকি কমে, আবার বিক্রেতাও মাঝারি মেয়াদে প্রায় নিশ্চিত বিক্রির নিশ্চয়তা পায়। দিনের তালিকা শেষ হয় তরুণ টমি ওয়াটসনকে দিয়ে, যিনি ব্রাইটন ছেড়ে গেছেন লেস্টার সিটিতে — তাও ধারে, এই মরসুমে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় খেলা দলে খেলার সময় পাওয়ার সুযোগ হিসেবে।
সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কী আশা করা যায়
জানালার আরও মাসখানেক বাকি, আর বাজার চিরাচরিত নিয়মেই গরম হবে শেষ সপ্তাহগুলিতে। ইংলিশ ক্লাবগুলি বড় চুক্তিগুলি সাধারণত অগস্টের শেষ দিনগুলিতেই জমা করে — সূচির চাপ এবং এখনও বাকি থাকা বিক্রিগুলির কারণে। প্রত্যাশা হলো, ২ সেপ্টেম্বরের সময়সীমা যত এগিয়ে আসবে, প্রিমিয়ার লিগ ও মহাদেশীয় লিগ দুই জায়গাতেই নড়াচড়া তত জোরালো হবে।







